সচেতনতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সচেতনতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

নভেম্বর ২৩, ২০১১

মৃণাল সেনের ছবিঃ কোরাস (Chorus)

কোরাস (Chorus) মৃণাল সেনে'র ১৯৭৪ সনে করা ছবি। বিদ্যমান সমাজ-রাষ্ট্র কাঠামোর ব্যর্থতা'কে বিদ্রুপ করে চলচিত্রায়িত। গভীর রাজনীতি মনষ্ক ছবি। পুরো ছবিটা গড়ে উঠেছে কিছু টুকরো গল্পে'র দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের আকাঙ্খা ৩০,০০০ চাকুরী প্রার্থীর আকাঙ্খার সাথে মিশে গিয়ে,যেখানে শ্রমিক-কৃষক সব একাট্টা শোষকের বিরুদ্ধে। যারা পাল্টে দিতে চায় বিদ্যমান অচল ব্যবস্থা। চরিত্র চিত্রায়ন, দৃশ্যকল্প আর সিনেমাটোগ্রাফী অসাধারন। Occupy Wall Street Movement ও আরব দেশ সমূহের গণ-আন্দোলনের প্রেক্ষিতে এ ছবিটি দারুন প্রাসঙ্গিক। ছবিটি শ্রেষ্ঠ বাংলা ছবি হিসাবে 'স্বর্ণকমল' পুরস্কার অর্জন করে।
 ছবিটির একটি পুর্নাঙ্গ রিভিও পাবেন এখানেঃ Chorus -A Satire by Mrinal Sen Subhajit Ghosh

মৃণাল সেন-এর ইন্টারভিউ, ছবিটির টরেন্ট লিঙ্ক Chorus,Mrinal Sen

নভেম্বর ১৬, ২০১১

Know About Stockholm Syndrome

মাঝে-মধ্যে আমার মনে হয় আমাদের দেশের দল আর নেতারা কোন এক মোহময়তায় আমাদের দেশের লোকদের আচ্ছন্ন করে রেখেছেন। অনেকটা সাইকোলজির 'স্টকহোম সিন্ড্রোম' এর মতো, যেখানে জিম্মি'রা মুক্তির পাবার পরও ডাকাত-গুন্ডা-লুটেরা'দেরই গুণ-কীর্তন করে। এফবিআই বলছে আমেরিকায় শতকরা ২৭ জন জিম্মি এরকম আচরন করে। আমার মনে হয় বাংলাদেশে ঊল্টো হবে, শতকরা ৭৩ জনই 'স্টকহোম সিন্ড্রোম' এ আক্রান্ত। তা নইলে কেন আমরা এই নেতাদেরই তল্পিবহন করে চলছি। 'স্টকহোম সিন্ড্রোম' নিয়ে দুটো ভিডিও সহ একটা প্লে-লিস্ট লিঙ্ক দিলাম। প্রথমটি সাইকোলজির ব্যাখ্যা, পরেরটি 'স্টকহোম সিন্ড্রোম' এর প্রয়োগ আছে এরকম একটি ছবি; যার নামই Stockholm Syndrome, ২০০৮ সালে মুক্তিপাওয়া এই ছবিটির পরিচালক Ryan Cavalline। হরর মুভি আর বাচ্চাদের না দেখাই ভালো। তবে নামটাই সার, পুরো ছবিটা দেখার পর মনে হবে নামটাই ভুল দিয়েছে পরিচালক। ওই ব্যাটাদের'তো স্কুলের পরীক্ষায় 'নাম করনের সার্থকতা' আলোচনা করতে হতো না। ছবিটার আইএমডিবি রেটিং কিন্তু খুবই খারাপ, ৩.৫, ছবিটা দেখে আমাকে যেন কেউ না বকেন তাই আগে-ভাগেই জানিয়ে দিলাম। Click here to visit wikipedia article on Stockholm Syndrome

নভেম্বর ১২, ২০১১

Enimies of Reason: Richard Dawkin

অজ্ঞানতা যখন ছাপিয়ে যায় জ্ঞান'কে,অবিবেচনা যখন ছাপিয়ে যায় সুবিবেচনাকে তখনই প্রয়োজন হয়ে পড়ে রুখে দাড়াবার, প্রতিবাদ করার। দেখিয়ে দেয়া দরকার হয়, যেমনটি রিচার্ড ডওকিন দেখিয়েছেন এখানে, কিভাবে কুসংস্কার কারো অন্ধবিশ্বাস,কারো সচেতন চর্চা ও কারো সুচতুর ব্যবসায়িক কৌশলের মাধ্যমে ছাপিয়ে যাচ্ছে যুক্তির রোশনাই ও তার দৃশ্যমান প্রমান।দৃশ্যমান বাস্তবতা'কেও তাই ছেঁকে নেয়া প্রয়োজন যুক্তির ছাঁকুনিতে।